World

যুদ্ধবিরতির অপব্যবহার না করতে রাশিয়াকে সতর্ক করেছে ইউক্রেন।
Photo

অনলাইন ডেস্ক:

ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাশিয়া তার সৈন্যদের অগ্রসর করার জন্য একটি সম্মত মানবিক করিডোরের সুবিধা নেবে না।

তিনি বলেছিলেন যে তার সরকার এই তথ্য "যাচাই" করছে যে রাশিয়ান সৈন্যরা ইউক্রেনীয় অবস্থানের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য যুদ্ধবিরতি ব্যবহার করছে উচ্ছেদ পথের সাথে এলাকায়।

"আমরা এই চ্যানেলটি ব্যবহার করছি বেসামরিক নাগরিকদের - মহিলা এবং শিশুদের -কে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বাকিদের কাছে মানবিক পণ্য সরবরাহ করার জন্য," তিনি বলেছিলেন। "পুরো বিশ্ব দেখছে।"

 

ভেরেশচুক আরও নিশ্চিত করেছেন যে রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে এবং শহরগুলির বাইরে সম্মত রুট বরাবর সরিয়ে নেওয়ার কলামগুলির নেতৃত্ব দেবে।

স্থানীয় সময় 09:00 থেকে 16:00 পর্যন্ত (07:00-14:00 GMT), মারিউপোল এবং ভলনোভাখা শহরের চারপাশে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, বিবিসি জানিয়েছে।

ইউক্রেনের মারিওপোল ও ভোলনোভাখায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির সুযোগ রাশিয়া যাতে অপব্যবহার না করে, তার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক।

শনিবার তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ইরিনা ভেরেশচুক বলেন, তার সরকার এমন কিছু খবর এখন ‘যাচাই’ করে দেখছে যেখানে দাবি করা হয়েছে যে যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে শরণার্থী যাতায়াতের করিডর বরাবর রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই পথ ব্যবহার করছি নারী ও শিশুসহ বেসামরিক লোকজনকে বের করে আনতে ও ত্রাণ সামগ্রী পাঠাতে।’

ভেরেশচুক বলেন, ‘সারা বিশ্ব এদিকে তাকিয়ে রয়েছে।’ ভেরেশচুক জানান, আন্তর্জাতিক রেডক্রস এই যুদ্ধবিরতির আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে, এবং বেসামরিক লোকজনকে বের আনতে তারাই সামনের কাতারে থাকবে। মারিওপোল ও ভোলনোভাখায় শনিবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টা থেকে চারটা পর্যন্ত সাত ঘণ্টা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জেরে সোমবার বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সৈন্য পাঠায় রাশিয়া।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে রুশ স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ইউক্রেনের দক্ষিণ -পূর্বাঞ্চলীয় মারিওপোল ও ভোলনোভাখায় রুশ বাহিনী কয়েকদিন অবরোধ করেছিলো। রাশিয়ার প্রচণ্ড হামলায় শহর দুইটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।

 

 

 

 

Search

Follow us

Read our latest news on any of these social networks!


Get latest news delivered daily!

We will send you breaking news right to your inbox

About Author

Like Us On Facebook

Calendar