Bangladesh

নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ করে সফল
Photo

জন্মভূমি বাংলাদেশ থেকে ১৯৯৮ সালে পাড়ি দেয় সৌদি আরবের জেদ্দায়। সেখানে তিনি একটি অন্যের দোকানে কাজ করতেন । এক সময় পরিবারের সুখের কথা চিন্তা করে সৌদি আরবে গেলেও দেশেই কিছু একটা করবেন মনস্থির করেন। এমন স্বপ্ন নিয়ে দেশে ফিরে আসেন তিনি এগারো বছর আগে ছুটিতে দেশে ফিরে খাঁচায় মাছ চাষ করার পদ্ধতি জানতে ছুটে যান চাঁদপুর জেলায়। সেখানে তিনি প্রাথমিকভাবে হাতেখড়ি নেন খাঁচায় মাছ চাষের এবং সঙ্গে করে নিয়ে আসেন দু’টি খাঁচা। প্রথম দিকে ২০১০ সালে ইছামতী নদীতে নেটের (জাল) সাহায্যে তৈরি করা দুটি খাঁচা দিয়ে তেলাপিয়া মাছের চাষ শুরু করেন। পরে কঠোর পরিশ্রম ও মৎস্য অধিদপ্তরের পরামর্শে আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছেন অল্প শিক্ষিত মধ্য বয়সী দেলোয়ার। সেখানে তেলাপিয়া মাছ চাষ করেন। তাতে লাভবান হওয়ায় সৌদি আরবের ভিসা বাতিল করে দেন তিনি। চার মাস পর আরও ১০টি খাঁচা স্থাপন করেন। তখন ইছামতি নদীতে তার প্রায় ৬২টি মাছের খাঁচা ছিল। কিন্তু বর্তমানে ইছামতী নদীতে পানির অভাব থাকায় বর্তমানে মাত্র ২২টি খাঁচায় তেলাপিয়া মাছ রয়েছে। প্রথম দিকে নিজ উদ্যোগে নদীতে খাঁচা স্থাপন করেছেন তিনি। পরে সরকারিভাবে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকেও খাঁচা দেওয়া হয় তাকে। এরপর তিনি লাভবানও হয়েছেন বেশ। খাঁচায় মাছ চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি ও তার পরিবার।খাঁচায় মাছ চাষি দেলোয়ার হোসেন জানান, খাঁচায় মাছ চাষ অনেক লাভজনক। একবার খাঁচা স্থাপন করলে ও নিয়ম অনুযায়ী পরিচর্যা করলে প্রায় পাঁচ বছর টিকিয়ে রাখা সম্ভব। একটি খাঁচা স্থাপন করতে খরচ হয় ১৫-১৬ হাজার টাকা।সরেজমিনে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বলমন্তচর গ্রামের ইছামতী নদীরপাড়ে দেলোয়ারের মাছের খামারে গিয়ে দেখা যায়, ২২টি খাচাঁয় তেলাপিয়া মাছ চাষ করছেন। খাঁচার চারপাশে লোহার পাইপ, বাঁশ ও ড্রাম দিয়ে শক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ১০ ফুট পাশে, ২০ ফুট লম্বা খাঁচাগুলোর গভীর রয়েছে ৮ ফুট। সার্বক্ষণিক থাকা ও মাছের খাবার, নেট ইত্যাদি রাখার জন্য নদীপাড়ে একটি ঘর তৈরি করেছেন। দেলোয়ারকে দেখা যায়, নৌকায় করে মাছের খাবার দিচ্ছেন।

Search

Follow us

Read our latest news on any of these social networks!


Get latest news delivered daily!

We will send you breaking news right to your inbox

About Author

Like Us On Facebook

Calendar