health

করোনাভাইরাস সংক্রমনের দ্বিতীয় স্তরে বাংলাদেশ।
Photo

করোনার প্রাদুর্ভাব সামলাতে চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, কোয়ারেন্টিন। কোয়ারেন্টিনে সফলতা না এলে দেশকে বড় ধরনের মাশুল দিতে হতে পারে। চীনের উহানফেরত প্রবাসীদের সময় যতটা সফলভাবে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে, ইতালিসহ অন্য দেশ থেকে আগতদের বেলায় সেটা করা হয়নি। এ কারণে করোনা–আক্রান্ত রোগীদের বড় অংশ হয় এসব দেশ থেকে এসেছেন, না হয় রোগীরা তাঁদের সংস্পর্শে এসেছেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশে এখনো বিদেশফেরত মানুষের মাধ্যমেই করোনা সংক্রমিত হচ্ছে। তৃতীয় স্তর হচ্ছে কমিউনিটি (স্থানীয় জনগোষ্ঠী) সংক্রমণ, যেদিকে আমরা যাচ্ছি।

দেশে কমিউনিটি সংক্রমণ হবেই। করোনা নিয়ে এই পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মহামারির এই সুড়ঙ্গ থেকে বের হতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা দরকার, যেখানে সম্মিলিতভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব বিভাগ কাজ করবে। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিজেদের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে।

বিমানবন্দর থেকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে যাওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাজ নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ, এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। কোয়ারেন্টিনের ক্ষেত্রে কোথায় যেন একটা সমন্বয়ের অভাব, যাতে ঝুঁকি বাড়ছে। কোয়ারেন্টিনের মাধ্যমে হয়তো শতভাগ সফলতা আসবে না, করোনা সংক্রমণ সম্পূর্ণ থামানো যাবে না। তবে এটা করতে পারলে রোগীর সংখ্যা কমানো যাবে। পাশাপাশি রোগী বাড়ার হারও কমবে, যেমন ১০ জন থেকে ২০ জন হবে কিন্তু ১০০০ জন হবে না। এতে হাসপাতাল ও চিকিৎসকেরা প্রস্তুতির আরও সময় পাবেন।

Search

Follow us

Read our latest news on any of these social networks!


Get latest news delivered daily!

We will send you breaking news right to your inbox

About Author

Like Us On Facebook

Calendar